1. admin@timesnews71.com : অ্যাডমিন :
অতীতের গুনাহ যেভাবে সওয়াবে পরিণত হতে পারে | টাইমস নিউজ ৭১
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মধুখালীর ১১ বিদ্যালয়ের ‘সততা স্টোর’ পরিদর্শনে দুদক, সততা চর্চায় গুরুত্ব স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অংশ নিতে পারবেন না: ইসি সচিব শিক্ষকদের বদলির তদবিরের ভিড়ে অফিসে ঢুকতে পারি না : শিক্ষামন্ত্রী উন্নত চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চান সমাজকল্যাণ মন্ত্রী পুলিশে বড় রদবদল, ৪ ডিআইজিসহ ১৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা আটক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌ-প্রধানের সাক্ষাৎ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান খানের পদত্যাগ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ এবার সেই মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

অতীতের গুনাহ যেভাবে সওয়াবে পরিণত হতে পারে

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

টাইমস নিউজ ডেস্ক:-

মানুষ কীভাবে নিজের অতীতের গুনাহ বা পাপসমূহকে পুণ্যে রূপান্তরিত করতে পারে? জীবনের একটা বড় সময় আমরা নিজেদের কৃতকর্মের অপরাধবোধে ভুগে থাকি। তবে এই অপরাধবোধ যেন কখনোই আমাদের অনুতপ্ত হওয়া এবং নতুন করে জীবন শুরু করার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। জীবনের ভুলত্রুটি ও পাপের বোঝা থেকে মুক্তি পাওয়ার স্পষ্ট পথ রয়েছে, তা সত্ত্বেও আমরা প্রায়ই সেই প্রথম পদক্ষেপটি নিতে দেরি করে ফেলি।

সহীহ মুসলিমের হাদিসে বলা হয়েছে, ইসলাম গ্রহণ পূর্ববর্তী সমস্ত অপকর্ম ও পাপকে মুছে দেয়।

পাপ যেভাবে পুণ্যে পরিণত হয়

যারা জীবনে কোনো না কোনো পাপ বা ভুলের সাগরে নিমজ্জিত ছিলেন তাদের গুনাহ কীভাবে সওয়াবে রূপান্তরিত হতে পারে তুলে ধরা হলো—

প্রথমত যে বিষয়টি বিবেচনা করা দরকার তা হলো, নিজের অতীতের ভারী বোঝার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার এক অনন্য সুযোগ ইসলাম গ্রহণ। আল্লাহর পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি যখন ইসলাম গ্রহণ করে, কিংবা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হিজরত (দেশান্তর) করে অথবা পবিত্র হজ পালন করে, তখন তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আল্লাহর কাছে ক্ষমা পাওয়ার জন্য কোনো পাপই আসলে খুব বেশি বড় নয়।

একটু গভীরভাবে ভাবলে দেখা যাবে, এর মাধ্যমে একজন মানুষ একদম সাদা পৃষ্ঠা বা সম্পূর্ণ নতুন একটি আমলনামা নিয়ে জীবন শুরু করার সুযোগ পায়।

শুধু তাই নয়, মহান আল্লাহ চাইলে একজন মানুষের পাহাড়সম পাপকেও পুণ্যে বদলে দিতে পারেন। অর্থাৎ, একজন মানুষ যখন আন্তরিকভাবে ইসলামে প্রবেশ করে বা অনুতপ্ত হয়, তখন সে অন্য যেকোনো আলেম বা সাধারণ মুসলমানের চেয়েও এক অনন্য ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছে যায়।

ক্ষমা পাওয়ার এই সুযোগ যদি জীবনকে এভাবে আমূল বদলে দিতে পারে, তবে তাওবা বা অনুতাপের এই পদক্ষেপ নিতে আমরা কেন দেরি করছি?

একটি বিষয় সবসময় মনে রাখা জরুরি, গড়িমসি বা দীর্ঘসূত্রতা হলো সময় ও সুযোগের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধক। তাই তওবা করতে আর দেরি নয়। নিজেকে অনুপ্রাণিত করার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হতে পারেন স্বয়ং মহানবী (সা.), যিনি প্রতিদিন শতবার আল্লাহর দরবারে তওবা ও ইস্তিগফার করতেন।

তওবা বা অনুশোচনা একটি চমৎকার বিষয়। এর মাধ্যমে মানুষের কলুষিত হৃদয় পাখির পালকের মতো হালকা ও পবিত্র হয়ে উঠতে পারে এবং অতীতের মন্দ কাজগুলো ভালো কাজে রূপান্তরিত হতে পারে।

আল্লাহর দেওয়া এই সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত নয়। মানুষ যখন আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হয়, আল্লাহ তার সব গুনাহ মাফ করে দেন।

পবিত্র কোরআনের সূরা আজ-জুমারের ৫৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, বলুন, হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ টাইমস নিউজ ৭১
Theme Customized By Times News 71