1. admin@timesnews71.com : অ্যাডমিন :
আতাফল কেন খাবেন, জানুন এর স্বাস্থ্যগুণ | টাইমস নিউজ ৭১
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১৩ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কতা ফের ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া মাঠ পর্যায়ে সারের মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ১৮ আগস্ট চালু হচ্ছে বিআরটিসির ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস বিভ্রান্তকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাইতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৮ জন নিহত : বিআরটিএ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে এআই ক্যামেরা পরমাণু বিজ্ঞান-প্রযুক্তিকে উন্নয়নের ভিত্তি করার উদ্যোগ: প্রযুক্তিমন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, ভর্তি ৮০৫

আতাফল কেন খাবেন, জানুন এর স্বাস্থ্যগুণ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক:-

মৌসুমি ফলের মধ্যে আতাফল বেশ জনপ্রিয়। দেশের প্রায় সব এলাকাতেই পাওয়া যায় মিষ্টি স্বাদের এ ফলটি। স্বাদে মিষ্টি হওয়ার পাশাপাশি আতাফলে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ ও খাদ্যগুণ, যা শরীরের জন্য উপকারী।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আতাফলে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ফাইবারসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। এসব উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে হজমশক্তি ও হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

আতায় থাকা ভিটামিন সি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। পাশাপাশি শরীরে তৈরি হওয়া ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিক্যালের প্রভাব কমাতেও ভিটামিন সি ভূমিকা রাখে।

মানসিক স্বাস্থ্যে উপকারী

আতায় রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, বিশেষ করে ভিটামিন বি-৬। এটি মস্তিষ্কের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে শরীরের স্বাভাবিক স্নায়বিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এ ভিটামিন সহায়ক হতে পারে।

চোখের যত্নে সহায়ক

আতায় থাকা ক্যারোটিনয়েড চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নিয়মিত সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে এ ধরনের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ চোখের স্বাভাবিক কার্যকারিতা ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে।

হজমশক্তি বাড়ায়

আতায় পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যআঁশ বা ফাইবার রয়েছে। ফাইবার হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে আতাফল খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

রক্তচাপ ও হৃদ্‌স্বাস্থ্যে ভূমিকা

আতায় থাকা পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। ফলে সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে আতাফল হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে।

পুষ্টিকর হলেও পরিমিত খাওয়া জরুরি

আতা মিষ্টি জাতীয় ফল হওয়ায় এতে প্রাকৃতিক শর্করা ও ক্যালরির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। তাই অন্যান্য ফলের মতোই এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া ভালো। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস বা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন রয়েছে, তাদের খাদ্যতালিকায় আতাফল রাখার ক্ষেত্রে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সব মিলিয়ে, স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে আতাফল হতে পারে মৌসুমি ফলের তালিকায় একটি ভালো সংযোজন। তবে কোনো একটি ফলকে নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধ বা চিকিৎসার একমাত্র উপায় হিসেবে না দেখে বৈচিত্র্যময় ও সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে গ্রহণ করাই সবচেয়ে ভালো।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ টাইমস নিউজ ৭১
Theme Customized By Times News 71