টাইমসনিউজ ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে বাংলাদেশি পণ্যে ২০ শতাংশ হারে মার্কিন শুল্ক। তবে শুল্ক নিয়ে এখনও দর কষাকষির সুযোগ আছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। বুধবার ক্রয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় উপদেষ্টা আরও জানান, শুল্ক নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের যে চুক্তি হয়েছে তা প্রকাশযোগ্য নয়।
আগামী ৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে আলোচিত মার্কিন পাল্টা শুল্ক। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর আমেরিকায় পণ্য পাঠালেই দিতে হবে বর্ধিত শুল্ক। বাংলাদেশের জন্য বাড়তি শুল্কহার নির্ধারণ হয়েছে ২০ শতাংশ। সঙ্গে যোগ হবে আগের সাড়ে ১৬ শতাংশ। যদিও, শুল্ক আরও কমানোর বিষয়ে এখনো আশাবাদী অর্থ উপদেষ্টা।
ক্রয় কমিটির বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের জানান, আমেরিকার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে, চুক্তি এখনও হয়নি। চূড়ান্ত চুক্তির আগে আরও দর কষাকষির সুযোগ আছে। উপদেষ্টা আরও জানান, মার্কিন শুল্ক নিয়ে যে ‘নন-ডিসক্লোজার’ চুক্তি হয়েছে, তা প্রকাশযোগ্য নয়।
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আপনারা এখন যেটা শুনছেন, এটার ফরমাল একটা চুক্তি হবে। সেখানে আমরা দেখব কোন কোন জায়গায় আমাদের ডিউটি কমাতে হবে, কি কি ইমপোর্ট করতে হবে। দেখে আরেকটি ইয়ে করতে হবে। যখন ওয়ান টু ওয়ান নেগোসিয়েশন হয় অনেক কথা বলা হয় না। এটা মাল্টিলেটারেল নেগোসিয়েশন তো না। এটা ডব্লিউটিও তো না।’
অর্থ উপদেষ্টা আরও জানান, দেশের অর্থনীতি আগের চেয়ে ভালো অবস্থানে থাকলেও এখনও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, জ্বালানি, শুল্কসহ অনেক বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ব্যবসায়ীদের আস্থা ফেরানো এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আনা।
ড. সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘একেবারে উপরে উপরে ভাসা ভাসা দেখলাম, ভাসা ভাসা বলে দিলাম। অনেক কিছুই হয়েছে, যে অবস্থাটা ছিল একেবারে প্রিক্যারিয়াস একটা অবস্থা ছিল আর্থিক দিক দিয়ে, প্রিক্যারিয়াসের বাংলাটা আমি বলতে পারলাম না। এখন কিন্তু অনেকটাই আমরা স্বস্তির জায়গায় আসছি। তবে ডেফিনিটলি চ্যালেঞ্জ আছে সামনে।’
প্রকাশক ও সম্পাদক : কামাল মাহমুদ লেলিন
অফিস ঠিকানাঃ ক-১৮/৫/এ/৫ (৩তলা) কুড়িল বড়বাড়ী,ভাটারা,ঢাকা-১২২৯