1. admin@timesnews71.com : অ্যাডমিন :
ইয়োলোর নামে ৪১৬ ঋণ জালিয়াতি, দুদকের মুখোমুখি জনতার ১০ কর্মকর্তা | টাইমস নিউজ ৭১
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মধুখালীর ১১ বিদ্যালয়ের ‘সততা স্টোর’ পরিদর্শনে দুদক, সততা চর্চায় গুরুত্ব স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অংশ নিতে পারবেন না: ইসি সচিব শিক্ষকদের বদলির তদবিরের ভিড়ে অফিসে ঢুকতে পারি না : শিক্ষামন্ত্রী উন্নত চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চান সমাজকল্যাণ মন্ত্রী পুলিশে বড় রদবদল, ৪ ডিআইজিসহ ১৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা আটক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌ-প্রধানের সাক্ষাৎ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান খানের পদত্যাগ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ এবার সেই মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

ইয়োলোর নামে ৪১৬ ঋণ জালিয়াতি, দুদকের মুখোমুখি জনতার ১০ কর্মকর্তা

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

টাইমস নিউজ ডেস্ক:-

জালিয়াতির মাধ্যমে কাগুজে রপ্তানি দেখিয়ে ইয়েলো অ্যাপারেলস নামে জনতা ব্যাংক থেকে ঋণের ৪১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার তদন্তে জনতা ব্যাংকের ১০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত সংস্থাটির উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্ব টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে জানা গেছে।

যে সব কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন, আবুল কালাম আজাদ, আশরাফুল আলম, মোসাম্মৎ আছিয়া বেগম, আব্দুল মতিন মিজানুর রহমান, এস এম আব্দুল ওয়াহাব, ফয়জুল আলম, গোলাম মর্তুজা, কামরুল আহসান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।

চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, তার ভাই এস এফ রহমান, তাদের দুই ছেলে জনতা ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর পরস্পর যোগসাজশে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস, ঢাকার কথিত গ্রাহক ইয়েলো অ্যাপারেলস লিমিটেড নামীয় একটি নবসৃষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ইডিএফ (ইডিএফ) সুবিধাসহ বিপুল অঙ্কের ঋণ অনুমোদন ও উত্তোলন করেন। অথচ প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকরা ব্যবসা পরিচালনায় কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ছিলেন না। তারা বিবি এলসির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যেই কাগুজে আমদানি-রপ্তানি দেখিয়ে Accommodation Bill তৈরি করেন। এর মাধ্যমে মোট ৪,৮৯,৭৮,৬৭৮.৯৭ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪১৬ কোটি ৩১ লাখ ৮৭ হাজার ৭১২ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। আত্মসাৎ করা অর্থ বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে স্থানান্তর, রূপান্তর ও লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিগত ১৫ বছরে আর্থিক খাতে নজিরবিহীন দুর্নীতি, লুটপাট, জালিয়াতি ও টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে। ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে তার প্রতিষ্ঠান। ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নৌপথে পলায়নরত অবস্থায় রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সঙ্গে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককেও গ্রেপ্তার করা হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ টাইমস নিউজ ৭১
Theme Customized By Times News 71