টাইমসনিউজ ডেস্ক
ফিলিস্তিনের গাজায় ১৫ মাসের অব্যাহত হত্যা-ধ্বংসযজ্ঞের পর অবশেষে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হয়েছে। আগামী রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে যুদ্ধবিরতি। এতে একদিকে ফিলিস্তিনিরা উল্লাস করছে, অন্যদিকে আনন্দে মেতে উঠেছে তেলআবিবে জিম্মিদের পরিবার। এদিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। চুক্তি ঘোষণার পর ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
কাতারের রাজধানী দোহায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি সইয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে ১৯ জানুয়ারি রবিবার থেকে।
চুক্তির আওতায় হামাসের হাতে জিম্মি থাকা ইসরায়েলিদের মুক্তি এবং ইসরায়েলের হাতে কারাবন্দি থাক ফিলিস্তিনিদের পর্যায়ক্রমে মুক্তি দেওয়া হবে।
চুক্তির বিষয়ে হামাসের এক কর্মকর্তা ইজ্জত আল-রিশেক বলেন, কাতারের রাজধানী দোহায় সম্পাদিত চুক্তিতে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর সমস্ত শর্ত পূরণ হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গাজা থেকে সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, বাস্তুচ্যুতদের তাদের বাড়িঘরে ফিরিয়ে আনা এবং যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি।
চুক্তির ঘোষণার পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জিম্মিদের মুক্তি ও তাদের পরিবারের দুর্ভোগ অবসানে একটি চুক্তিতে এগিয়ে যেতে তাদের সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এদিকে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঘোষণার পর গাজার ফিলিস্তিনিরা উল্লাসে মেতে উঠেছে। তেলআবিবে আনন্দ-উল্লাস করছে ইসরায়েলি জিম্মিদের পরিবার।
তবে, চুক্তি ঘোষণার পরও ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকা জুড়ে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে গাজায় উপর্যুপরি হামলায় কমপক্ষে ৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধে কমপক্ষে ৪৬ হাজার ৭০৭ জন নিহত এবং ১ লাখ ১০ হাজার ২৬৫ জন আহত হয়েছেন। সেদিন হামাসের হামলায় ইসরায়েলে কমপক্ষে ১,১৩৯ জন নিহত এবং ২০০ জনেরও বেশিকে বন্দী করা হয়েছিল।
প্রকাশক ও সম্পাদক : কামাল মাহমুদ লেলিন
অফিস ঠিকানাঃ ক-১৮/৫/এ/৫ (৩তলা) কুড়িল বড়বাড়ী,ভাটারা,ঢাকা-১২২৯