
নিজস্ব প্রতিবেদক:-
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকেও আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, নোটিশের মেয়াদ কখন শেষ হবে সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন এবং নোটিশের জবাব পাওয়ার পর সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ কেউ হাসপাতাল বন্ধ না করার পক্ষে মত দিলেও তা সরকারের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবে না।
‘ছয়টা বাচ্চা তো মারা গিয়েছে। এটা একটা ফৌজদারি মামলা হয়েছে। ভিক্টিম কী বলল বা না বলল, এটা আমাদের সিদ্ধান্তে কোনো ইম্প্যাক্ট ফেলবে না,’ বলেন তিনি।
ফায়ার সার্ভিস, রাজউক ও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোও নিজ নিজ আইনগত দায়িত্ব অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘পরিবেশ বলেন, ফায়ার সার্ভিস বলেন, রাজউক বলেন, প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে আইনগতভাবে করণীয় সকল ব্যবস্থা নেবে। কেউ পিছপা হবে না।’
এদিকে, গ্রামীণ ও দুর্গম এলাকার রোগীদের জন্য দুই ধরনের বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগের কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রথম ধরনের অ্যাম্বুলেন্স গ্রাম থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী, বিশেষ করে প্রসূতি মায়েদের পরিবহনে ব্যবহার করা হবে। দ্বিতীয় ধরনের আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স উপজেলা বা জেলা পর্যায় থেকে প্রয়োজন হলে রাজধানীতে রোগী স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত হবে।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এই অ্যাম্বুলেন্সগুলোর নকশা তৈরির কাজ করছে। প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় প্রায় এক কোটি টাকা ধরা হয়েছে।
অ্যাম্বুলেন্সগুলো বৈদ্যুতিক শক্তিচালিত হবে এবং কিছু ক্ষেত্রে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ব্যবস্থাও থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমে একটি উপজেলায় পাইলটিং প্রজেক্ট করব। সফল হলে আগামী বছর সারা বাংলাদেশে এটি চালু করব।’