নিজস্ব প্রতিবেদক:
টানা বৃষ্টিতে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ৩০ কিলোমিটার এলাকা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে গভীর গর্ত। পিচ ও কার্পেটং উঠে গেছে বেশ কয়েকটি জায়গায়।
বৃষ্টি পানি খানাখন্দে জমছে থাকায় যানবাহন উল্টে ঘটছে দুর্ঘটনা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যাত্রী, পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।
এই দশা ফরিদপুর শহর থেকে ভাঙ্গা ইন্টারচেঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার মহাসড়কের। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই সড়ক ব্যবহার করে যাতায়াত করা ফরিদপুরসহ অন্তত দশ জেলার মানুষ।
বৃহস্পতিবার বৃষ্টি উপেক্ষা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদার ও তার সহকারীরা সড়কটির সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায়গুলোতে ইট দিয়ে চলাচলের জন্য মেরামতের চেষ্টা করছিলেন। তবে সেটি অস্থায়ী বলে জানান সড়ক বিভাগ।
ফরিদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদার বলেন, বর্তমান সরকার ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের চার লেনের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছেন। এর মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ৫’শ কোটি টাকা দিয়েছেন অনেক আগেই। কিন্ত এখনও জেলা প্রশাসন আমাদের জমি বুঝিয়ে দেয়নি বিধায় আমরা মূল কাজটি করতে পরাছি না । আর এই কারনেই দীর্ঘ সময় সড়কটির ফরিদপুর অংশে কোন কাজ হয়নি।
“তারপরেও সড়কটির বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে মন্ত্রণালয় ৪৯ কোটি টাকা দিয়েছে। আমার গত মে মাসের শেষ দিকে কাপেটিং করার জন্য আরবিএল কোম্পানিকে টেন্ডারের মাধ্যমে কার্যাদেশ দিয়েছি। কিন্তু লম্বা সময়ে ধারাবাহিব বৃষ্টিপাতের কারণে কাজটি শুরু করতে পারিনি। এ কারনেই বাধ্য হয়ে ইট দিয়ে সাময়িক ভাবে চলাচলের জন্য মেরামতের কাজ করছি।”
প্রকাশক ও সম্পাদক : কামাল মাহমুদ লেলিন
অফিস ঠিকানাঃ ক-১৮/৫/এ/৫ (৩তলা) কুড়িল বড়বাড়ী,ভাটারা,ঢাকা-১২২৯