টাইমসনিউজ
ইসলাম-আকে-শ্বনহীন-রাখার-চ্যালেঞ্জ-সরকার-নিতে-হবে-তারেক-রহমানঝিনাইদহ মালিক 'পায়রা চরে' শনিবার জনসভা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান।
ভারপ্রাপ্ত প্রাপ্য বলেন, 'দায়িত্ব পরিপূরকভাবে প্রতি রোডের অন্তর্বর্তী সরকার নির্দিষ্ট করতে হবে। সব পরিবর্তন যেমন তাদের ব্যবহার করা সম্ভব নয়, একই ধরনের দায়িত্বও তাদের কাঁধে জোর না করা হবে, যেটা তারা সমর্থন করতে পারবে না।'
অর্পিত দায়িত্বপালনর্থ প্রতিনিয়ত রোডম অন্তর্বর্তী সরকার নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে কোনো ব্যক্তি তারেক রহমানকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি বলেছেন, ড. মুহাম্মদ মুহাম্মদের আইনের অধীনে এই আইনের প্রতি আমাদের আস্থাকে প্রশ্নবিহীন ইউনূল নিম্নে নিতে হবে।
ঝিনাইদ নগরী আক্রমণকেন্দ্র 'চত্বরেহ' শনিবারে জেলা জাতীয় পার্টি ব্যাপক জনসভায় ভাচলি যুক্ত হওয়া প্রধান প্রধান নেতা তারেক রহমান মুসলিম কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে হঠাৎ করে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা পূরণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিকল্প ছিল না। সঙ্গত কারণে আমরা সে সময় তাদের সমর্থন করেছি এবং এখনও তাদের সমর্থন করি। তাদের প্রতি আমাদের আস্থা যাতে অটুট থাকে তা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ তাদেরকে নিতে হবে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে পরোক্ষভাবে তারেক রহমান বলেন, ‘সব পরিবর্তন সাধন যেমন তাদের পক্ষে সম্ভব নয়, তেমনই এমন দায়িত্বও তাদের কাঁধে নেয়া সঙ্গত হবে না, যেটা তারা বহন করতে সক্ষম হবেন না।’
জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় দলের খুলনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারি হেলাল, ব্যারিস্টার রুহুল কবির কাজল, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মুন্সী কামাল আজাদ পান্নু, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজেদুর রহমান পপ্পু, যুগ্ম সম্পাদক আসিফ ইকবাল মাখন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টুসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বক্তব্য দেন।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন, ‘সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে প্রতিটি সিদ্ধান্ত, প্রতিটি বক্তব্য, এমনকি প্রতিটি প্রতিক্রিয়ায় প্রয়োজন সর্বোচ্চ সতর্কতার দৃশ্যমান প্রয়োগ। সরকার পরিচালনা একটি অতি সংবেদনশীল ও জটিল কাজ। এখানে সামান্য বিচ্যুতি যেমন বিরাট একটা প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে, তেমনই সামান্য অসতর্কতাও অতি আবশ্যক বিশ্বাসকে করতে পারে দুর্বল।
‘উল্লিখিত কারণে আমাদের শক্তির কেন্দ্রবিন্দুর ঐক্যে ফাটল ধরানো সহজ হতে পারে। এর যে কোনো একটিই বয়ে আনতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়। মনে রাখা দরকার, দেড় যুগ ধরে গড়ে ওঠা স্বৈরাচারের দৃশ্যমান আর অদৃশ্য প্রেতাত্মারা এত সহজে তাদের বিষ-নিঃশ্বাস থেকে আমাদের পরিত্রাণ দেবে না।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘স্বৈরাচারের ফেলে যাওয়া দলবাজ উচ্ছিষ্ট প্রশাসনের চলমান ষড়যন্ত্রের কাছে আমরা মাঝে মাঝেই সরকার পরিচালনায় দক্ষ, সৎ ও নিষ্ঠাবানদের অসহায় ও বিপর্যস্ত হতে দেখছি। এর অবসান না হলে, এদের বেড়াজালে আবদ্ধ সরকার ছোট ছোট বিপর্যয়কে এক সময় মহাবিপদ হিসেবে নিজেদের (সরকারের) সামনে দেখতে পাবে। তখন প্রতিকারের পথ হয়ে পড়বে অতি সংকীর্ণ।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাদের প্রতি আমাদের সেদিন যে সমর্থন ছিল, সেই সমর্থন আজও আছে। তারা জনগণের যে মূল দায়িত্ব পালনের জন্য আজ দায়িত্ব নিয়েছেন, সেই দায়িত্ব যাতে তারা সঠিকভাবে পালন করতে সক্ষম হন, সেরকম সমর্থন তাদের প্রতি আমাদের অবশ্যই অব্যাহত থাকবে।’
বিএনপির এই দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা বলেন, ‘একটি দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী করতে নির্বাচিত সরকারের বিকল্প নেই। জনগণের উন্নয়ন জনগণের নির্বাচিত সরকার দ্বারাই সম্ভব। কারণ, জনগণের সরকার হলে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকে। তাছাড়া জনগণের সরকারের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় ভোটের মাধ্যমে। তাই যেদিন বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে, সেদিনই মানুষ তার পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরে পাবে।’
তিনি বলেন, ‘আজ আমরা মুক্ত ও ভয়হীন পরিবেশে কথা বলতে পারছি। এই পরিবেশের জন্য দীর্ঘ ১৭ বছর অনেক নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। গত জুলাই-আগস্ট মাসে হাজারো মানুষ নিহত ও অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। এই সময়কালে শুধু বিএনপিরই ৬০ লাখ নেতা-কর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অনেকে মারা গেছেন। এত মানুষের আত্মত্যাগের কারণ একটাই, তারা তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেতে চান।’
তারেক রহমান বলেন, 'এর জন্য ১৯৭১ সালে যে দেশটি যুদ্ধে আত্মঘাতী হয়েছিল, ঠিক সে গত ২০২৪ সালে আন্দোলনে আইন জীবন উৎসর্গ করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে- এই স্বৈরাচারের পতন স্পট স্বৈরাচারের দোসররা এখনও রয়ে গেছে। তারা নিয়মিত তাই বর্তমান সরকার কাজ করতে গিয়ে এমন কিছু করতে পারে না, যাতে স্বৈরাচার আবার মাথাচাড়া দিতে পারে।'
মুসলিম ভারপ্রাপ্ত নেতা বলেন, 'আজ মুসলিম সব মানুষ জনগণকে সমর্থন করছেন, তাদের প্রিয় দল জননেত্রী সরকার গঠন করবে। সে জন্য ১৭ বছর ধরে আমরা চেয়েছি। তাই সর্বোত্তম আলোচনা- বলুন, স্বৈরা পতনের বলা হয়েছে সব হুমকি দিয়ে। আমাদের ঘোড়া সে বিষয়ে সজাগ গঠন এবং ঐক্যবদ্ধভাবে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। ছুটি মুক্তি পাবে না, শুধু মানুষের মুক্তি অব্যাহত থাকবে। তা না হলে মানুষের সফলতা না।
'বৈদেশিক বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাষ্ট্রের
প্রকাশক ও সম্পাদক : কামাল মাহমুদ লেলিন
অফিস ঠিকানাঃ ক-১৮/৫/এ/৫ (৩তলা) কুড়িল বড়বাড়ী,ভাটারা,ঢাকা-১২২৯