1. admin@timesnews71.com : অ্যাডমিন :
র‍্যাবের অভিযুক্ত সোনা ডাকাতির নেতা ডিএডিকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর। | টাইমস নিউজ ৭১
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মধুখালীর ১১ বিদ্যালয়ের ‘সততা স্টোর’ পরিদর্শনে দুদক, সততা চর্চায় গুরুত্ব স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অংশ নিতে পারবেন না: ইসি সচিব শিক্ষকদের বদলির তদবিরের ভিড়ে অফিসে ঢুকতে পারি না : শিক্ষামন্ত্রী উন্নত চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চান সমাজকল্যাণ মন্ত্রী পুলিশে বড় রদবদল, ৪ ডিআইজিসহ ১৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা আটক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌ-প্রধানের সাক্ষাৎ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান খানের পদত্যাগ মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ এবার সেই মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

র‍্যাবের অভিযুক্ত সোনা ডাকাতির নেতা ডিএডিকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর।

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪

টাইমসনিউজ৭১ডেস্ক

র‍্যাবের ডিএডি শামীমুজ্জামানের নেতৃত্বে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ৯৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় গতকাল রোববার আদালতে তিন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে সেনাসদস্য হওয়ায় ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত ডিএডি শামীমুজ্জামানকে এ দিন সেনাবাহিনীর কাছে হন্তান্তর করা হয়েছে। পলিশ লুট হওয়া স্বর্ণ এখনও উদ্ধার করতে পারেনি।

আদালতে দায় স্বীকার করা আসামিরা হলেন– সম্রাট মৃধা, আমিজ উদ্দিন ও মিরাজুল শেখ। শামীমুজ্জামান ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন– সিদ্দিক শেখ, মো. সুমনসহ অজ্ঞাত আরও দুই থেকে তিনজন। গত শনিবার রাতে স্বর্ণ লুট ও মারধরের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে সিংগাইর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সুমন হাওলাদার।

  • এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ব্যবসায়ী সুমনের বাড়ি ঢাকার দোহারের পূর্ব লটাখোলা গ্রামে। দোহারের জয়পাড়া বাজারে নির্ঝর অলংকার নিকেতন নামে তাঁর একটি দোকান রয়েছে। গত শনিবার সকালে পূর্ব নটাখোলা গ্রামের বাড়ি থেকে দোকানের দুই কর্মচারীসহ একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে করে ৯৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও স্বর্ণের পাত নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তিনি যান সিংগাইরের চারিগ্রাম বাজারে স্বর্ণ ব্যবসায়ী আবুল হোসেনের কাছে। সকাল ৭টার দিকে সিংগাইরের জামশা আমতলা এলাকায় তাদের বহনকারী অটোরিকশাটি থামায় নিজেদের র‌্যাব পরিচয় দেওয়া সাত থেকে আটজন। এর পর সুমন ও তাঁর দুই কর্মচারীকে মারধর করে স্বর্ণের ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয় তারা। পরে তাদের হাত-পা ও চোখ বেঁধে তোলা হয় একটি হাইয়েস গাড়িতে। এর পর র‌্যাব পরিচয় দেওয়া তিনজন তাদেরসহ গাড়িটি নিয়ে সিংগাইরের দিকে রওনা হয়। পেছনে দুটি মোটরসাইকেলে করে চার থেকে পাঁচজন স্বর্ণের ব্যাগটি নিয়ে অন্যত্র চলে যায়।

সিংগাইর থানার ওসি জিয়াউল ইসলাম বলেন, সম্রাট, মিরাজুল, আমিজ এবং শামীমুজ্জামানকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শামীমুজ্জামান সেনাসদস্য। তিনি র‍্যাব-১-এ গাজীপুর ট্রেনিং সেন্টারে ডিএডি হিসেবে কর্মরত। সেনাসদস্য হওয়ায় তাঁকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সামরিক আদালতে তাঁর বিচার হবে। শামীমুজ্জামানের পরিকল্পনাতেই আসামিরা ওই হাইয়েস গাড়িটি ভাড়া করেছিল। ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ওই গাড়ি, র‍্যাবের আইডি কার্ড ও র‍্যাব লেখা স্টিকার জব্দ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে গাড়ির চালক জানিফকে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুট হওয়া স্বর্ণ উদ্ধারে অভিযান চলছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিংগাইর থানার এসআই মনোহর আলী জানান, গ্রেপ্তার তিন আসামি সম্রাট, মিরাজুল ও আমিজকে রোববার দুপুরে মানিকগঞ্জ আদালতে হাজির করা হয়। তারা ১৬৪ ধারায় দায় স্বীকার করেছে। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ টাইমস নিউজ ৭১
Theme Customized By Times News 71