
টাইমসনিউজ ডেস্ক
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিশীলিত বক্তব্যে যেসব শব্দচয়ন তাতে সাধারণ মানুষ নতুন তারেক রহমানকে দেখতে পাচ্ছেন। কথাবার্তায় সংযত তারেক রহমান শুধু ক্ষমতার পালাবদল দেখতে চান না, ব্যক্তির মধ্যে ক্ষমতার হাতবদল চান না। দ্রুততম সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো নেই তার। দেশের জনগণের যে প্রত্যাশা তার সঙ্গে সংগতি রেখে রাষ্ট্র ও রাজনীতির যেন পরিবর্তন হয় সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন। দলের নেতাদের সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করে জনগণের দ্বারে দ্বারে পাঠাচ্ছেন জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা জানার জন্য। সাধারণ মানুষের আশা-আকাক্সক্ষা ধারণ করে নতুন রাজনীতি, নতুন বাংলাদেশ গড়তে চান তারেক রহমান। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত দলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণেও দিচ্ছেন বিচক্ষণতার পরিচয়।
তারেক রহমান শুধু ক্ষমতার পালাবদল দেখতে চান না, ব্যক্তির মধ্যে ক্ষমতার হাতবদল চান না। দেশের জনগণের যে প্রত্যাশা তার সঙ্গে সংগতি রেখে রাষ্ট্র ও রাজনীতির যেন পরিবর্তন হয় সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন। দলের নেতাদের সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করে জনগণের দ্বারে দ্বারে পাঠাচ্ছেন জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা জানার জন্য। সাধারণ মানুষের আশা-আকাক্সক্ষা ধারণ করে নতুন রাজনীতি, নতুন বাংলাদেশ গড়তে চান তারেক রহমান। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত দলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণেও দিচ্ছেন বিচক্ষণতার পরিচয়।
‘তারেক রহমান নতুন বাংলাদেশ গড়তে চান। পাশাপাশি রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে সংস্কার আনতে চান পূর্বে ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে। রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের আশা-আকাক্সক্ষাকে গুরুত্ব দিতে চান। এতে বোঝা যায় রাষ্ট্র পরিচালনায় যাওয়ার আগে তারেক রহমান দলকে পরিশুদ্ধ করতে চান। কারণ বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনে অনেক নেতাকে রাজপথে দেখা যায়নি। এমনকি তিনি ফোন করে অনেক নেতাকে পাননি। এখন তারা বড় নেতা সাজতে চান। কিন্তু এসব করে তারা লাভবান হবেন না। সবসময় তৃণমূল তার পাশে ছিল, আগামী দিনে তারেক রহমানও তৃণমূল নেতাদের পক্ষে থাকবেন। এখন তারেক রহমানের কাছে সবার আগে দেশ।’