
টাইমসনিউজ৭১ডেস্ক
র্যাবের ডিএডি শামীমুজ্জামানের নেতৃত্বে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ৯৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় গতকাল রোববার আদালতে তিন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে সেনাসদস্য হওয়ায় ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত ডিএডি শামীমুজ্জামানকে এ দিন সেনাবাহিনীর কাছে হন্তান্তর করা হয়েছে। পলিশ লুট হওয়া স্বর্ণ এখনও উদ্ধার করতে পারেনি।
আদালতে দায় স্বীকার করা আসামিরা হলেন– সম্রাট মৃধা, আমিজ উদ্দিন ও মিরাজুল শেখ। শামীমুজ্জামান ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন– সিদ্দিক শেখ, মো. সুমনসহ অজ্ঞাত আরও দুই থেকে তিনজন। গত শনিবার রাতে স্বর্ণ লুট ও মারধরের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে সিংগাইর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সুমন হাওলাদার।
সিংগাইর থানার ওসি জিয়াউল ইসলাম বলেন, সম্রাট, মিরাজুল, আমিজ এবং শামীমুজ্জামানকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শামীমুজ্জামান সেনাসদস্য। তিনি র্যাব-১-এ গাজীপুর ট্রেনিং সেন্টারে ডিএডি হিসেবে কর্মরত। সেনাসদস্য হওয়ায় তাঁকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সামরিক আদালতে তাঁর বিচার হবে। শামীমুজ্জামানের পরিকল্পনাতেই আসামিরা ওই হাইয়েস গাড়িটি ভাড়া করেছিল। ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ওই গাড়ি, র্যাবের আইডি কার্ড ও র্যাব লেখা স্টিকার জব্দ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে গাড়ির চালক জানিফকে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুট হওয়া স্বর্ণ উদ্ধারে অভিযান চলছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিংগাইর থানার এসআই মনোহর আলী জানান, গ্রেপ্তার তিন আসামি সম্রাট, মিরাজুল ও আমিজকে রোববার দুপুরে মানিকগঞ্জ আদালতে হাজির করা হয়। তারা ১৬৪ ধারায় দায় স্বীকার করেছে। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।