
টাইমসনিউজ ডেস্ক:
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের বাৎসরিক পিকনিকে খাবার নিয়ে অনিয়ম,পরে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।২২ ফেব্রুয়ারী বেরুলিয়া পিকনিক স্পটে ট্রাস্ট কতৃক পিকনিকে অব্যবস্থাপনা ও পিকনিকের টাকার হিসাব নিয়ে খাবার দেরি হওয়ায় বিরাট গন্ডগোলের সৃষ্টি হলে পিকনিক পন্ড হয়ে যায়।
পত্যক্ষদর্শীরা জানান ৩২লক্ষ টাকায় আয়োজিত পিকনিকে সকালে বাসে করে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের আনতে দেরি হয়। এসে অর্ধেকেরও বেশি মানুষ সকালের নাস্তা খেতে পারে নায়,২৫০০ লোকের আয়োজনের কথা থাকলেও ১ হাজার লোক নাস্তা খাওয়া পর শেষ হয়ে যায়।পর বর্তিতে দুপুরের খাবার সময় হলেও খাবার দিতে দেরি হয়। আড়াই টার দিকে খাবার পরিবেশন শুরু হলে ১হাজার লোক খাওয়ার পর বাকি ১৫০০ লোক খাবারের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। বিকাল চারটার পর ধোর্য হারা হয়ে মুক্তিযোদ্ধের পরিবারের সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে পিকনিক কমিটিদেরকে ধাওয়া দেয় ধাওয়া খেয়ে কমিটি দৌড়ে পালিয়ে গেলে খাবার প্রত্যাশিরা ভাংচুর শুরু করলে পিকনিক পন্ড হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের কাছে জানতে চাইলে বলেন কমিটির সব গুলো চোর, ট্রাস্ট থেকে ৩২ লক্ষ টাকা নিয়ে কমিটির সব ভাগযোগ করে খেয়েছে তা নাহলে খাবার থাকবেনা কেন?
অনুসন্ধানে জানা যায় কমিটি বাস্তবায়নের সময় বিএনপি ছাড়া কেউ থাকতে পারবে না,কেউ বলছে আমি ওমোক নেতার ভাতিজা কেউ বলেছে আমারা বিএনপি করি সব আমাদের কথা মতো হবে। উপ-পরিচালক কাশেম সাহেব বলেন আমার কাছ থেকে জোর করে এসব নেতারা টাকা নিয়ে গেছে না দিলে মারতে আসে,আমি এখন টাকার হিসাব দিব কিভাবে? আরো জানা যায় মুরগি ,খাসি, দই ,পানিও ছাড়া পিকনিক স্পট ভাড়াতে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে বলেই পিকনিকে মানুষ খাবার পাই নাই।
কেউ আবার রাতে পিকনিক স্পষ্টে পিকনিক আয়োজনের সময় কোন একজন ‘মদ’ খেয়ে মাতলামি করেছে যা কোন ভাবেই কাম্য নয়।! ট্রাস্টের দলিও প্রিতি অব্যবস্থাপনার কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে সবাই মতামত দিয়েছে।
প্রতি বছরেরই মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে বাৎসরিক পিকনিক হয়ে থাকলেও এ রকম খাওয়া নিয়ে মারামারি ও খাবার না পাওয়ার মতো ঘটনা ও পিকনিকে ব্যবস্থাপনায় লুটপাট পুর্বে ঘটেনি।
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপস্থিত সবাই বলেন বাৎসরিক একটা পিকনিক ভবিষ্যতে যেন আর এরকম ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে এম ডি মহোদয়কেই ব্যবস্থা নিতে হবে, অযোগ্য লোকের হাতে কখনো কমিটির দায়িত্ব না দেওয়ার আহ্বান জানান। এ ছাড়া আজকের পিকনিক কমিটির সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।