
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নেত্র নিউজের এক প্রতিবেদনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর করা অভিযোগকে সেনাবাহিনী নাকচ করেছে। হাসনাত অভিযোগ করেছিলেন যে, তিনি এবং আরও দুজনকে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আওয়ামী লীগের একটি তথাকথিত ‘রিফাইন্ড’ গোষ্ঠীকে মেনে নেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছেন।
সেনা সদর দপ্তর, নেত্র নিউজকে পাঠানো এক বিবৃতিতে স্বীকার করেছে যে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ১১ মার্চ ঢাকা সেনানিবাসে হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সারজিস আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তবে, সেনাবাহিনী হাসনাতের বক্তব্যকে ‘হাস্যকর এবং অপরিপক্ক গল্প’ বলে অভিহিত করেছে।
সেনাবাহিনীর বিবৃতি উদ্ধৃত করে নেত্র নিউজ প্রতিবেদনে বলেছে যে, সাক্ষাৎটি ‘তাদের ডেকে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন সম্পর্কে প্রস্তাব বা চাপ দেওয়ার বিষয় নয়’। বরং, সেনাবাহিনী বলেছে যে, হাসনাত এবং দলের অপর এক সমন্বয়ক সারজিস আলমের অনুরোধেই জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে এই ‘শিষ্টাচার সাক্ষাৎ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেনাবাহিনী আরও স্পষ্ট করে বলেছে যে, ‘সারজিস আলম সেনাপ্রধানের সামরিক উপদেষ্টাকে ফোন করে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করেন এবং তাদেরকে সেনা সদর দপ্তরে আসতে বলা হয়’ তারা সেনা ভবনে অপেক্ষা করেন এবং জেনারেল তার সরকারি কাজ শেষ করে তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন।
নেত্র নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষাতে কী আলোচনা হয়েছে তা তারা যাচাই করতে পারেনি।
প্রতিবেদনে সেনাবাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগটি হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সাজিস আলমের। এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীসহ এই দুজনই বলেছেন যে, তাদের সেনাবাহিনী বা এর নেতৃত্বের প্রতি কোন বিদ্বেষ নেই।
হাসনাত এবং সারজিসের সাক্ষাতের জন্য এনসিপির সম্মতি ছিল কিনা, নাকি তারা নিজেরাই কার্য করেছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। পাটোয়ারী গতকাল (২২ মার্চ) সিলেটে এক ইফতার মাহফিলে হাসনাতের ফেসবুক পোস্টের ‘অশিষ্টাচার’ বলে সমালোচনা করেন।