1. admin@timesnews71.com : অ্যাডমিন :
গ্যাস-অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে মাছ খাওয়া কী নিরাপদ? | টাইমস নিউজ ৭১
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী ৪-৫ বছরে ছানিজনিত অন্ধত্বমুক্ত বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদত্যাগ গ্যাস-অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে মাছ খাওয়া কী নিরাপদ? ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪৬, মামলা ৫৬ হরমুজ প্রণালি বন্ধের প্রভাবে সার সংকটের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ আর্জেন্টিনার ফুটবল প্রধানের মোবাইল জব্দ-তদন্তের গুঞ্জন, যা বলছে ফেডারেশন উত্তাল দিল্লি, বিশেষ ঘোষণা মোদির বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস এডমিরাল র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গ্যাস-অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে মাছ খাওয়া কী নিরাপদ?

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
গ্যাস-অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে মাছ খাওয়া কী নিরাপদ?

টাইমস নিউজ ডেস্ক:-

মাছে-ভাতে বাঙালি বলে কথা, মাছ ছাড়া কি চলে। বাঙালির খাবার প্লেটে মাছ থাকা চাই-ই চাই। বাড়ির ছোট থেকে শুরু করে বয়স্করাও নিয়মিত মাছের তরকারি রাখেন খাদ্যতালিকায়। এ ছাড়া যেন তৃপ্তি আসে না। কেউ কেউ সম্ভব হলে দিনে তিন বেলাই মাছের তরকারি দিয়ে ভাত খেয়ে থাকেন।

মাছ অনেকেরই পছন্দের খাবার। কিন্তু এরইমধ্যে কেউ কেউ দাবি করেন, মাছ খেলে নাকি গ্যাস-অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়। এ কারণে মাছ এড়িয়ে যাওয়ার কথা বলেন। ক্ষেত্র বিশেষ কারও মাছ খাওয়ায় সমস্যা হলেও সেটি কি সবার জন্য গ্রহণযোগ্য? সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন কলকাতা শহরের পুষ্টিবিদ স্বাগতা মুখার্জি। তাহলে এই পুষ্টিবিদের পরামর্শ জেনে নেয়া যাক-

মাছের পুষ্টিগুণ:
মাছ হচ্ছে প্রোটিনের ভাণ্ডার। প্রোটিন শরীরের জন্য উপকারী উপাদান। শরীরের এই ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি পূরণ করার জন্য নিয়মিত মাছ খাওয়ার কথা বলা হয়। মাছে জিঙ্ক, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ওমেগা-৩ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় নানা উপাদান রয়েছে। এ জন্য শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে মাছ খাওয়া উপকারী।

গ্যাস-অ্যাসিডিটির সঙ্গে মাছের সম্পর্ক:
পুষ্টিবিদ স্বাগতা জানান, মাছ হচ্ছে অত্যন্ত সহজপাচ্য একটি খাবার। তাই এই প্রাণিজ খাবার খাওয়ার পর গ্যাস-অ্যাসিডিটি হওয়ার ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে। এমনকি পেটের সমস্যা থাকলেও মাছ খাওয়া যায়। এতে শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ হয়।

এদিকে যদি গ্যাস-অ্যাসিডিটি থাকে, তাহলে বেশি তেল-মশলা দিয়ে মাছ রান্না করা ঠিক হবে না। ফলে সমস্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। এ ক্ষেত্রে হালকা-পাতলা মাছের ঝোল খাওয়া যেতে পারে। নিয়মানুযায়ী চললে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।

সচেতনতা:
কারও কারও কিছু মাছে অ্যালার্জি থাকে। বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ থেকে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এ জন্য তাদের এই ধরনের মাছ খেলে গ্যাস-অ্যাসিডিটি, ডায়রিয়া ও বমি থেকে শুরু করে নানা সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাদের সমস্যা করে এমন সব মাছ না খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

ফ্যাটি মাছকে না:
বোয়াল, ট্যাংরা, ইলিশসহ কিছু মাছে বেশি পরিমাণ চর্বি থাকে। মাছের চর্বি অংশ সহজে হজম হতে চায় না। এ জন্য গ্যাস-অ্যাসিডিটির মতো একাধিক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই পেটের সমস্যায় ফ্যাটযুক্ত মাছ খাওয়ার আগে ভেবে নেয়া উচিত।

প্রতিদিন মাছ খাওয়া কি নিরাপদ:
অনেকেই মনে করেন, প্রতিদিন মাছ খাওয়া ঠিক নয়। তবে এই ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। বরং, প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ মাছ খাওয়া হলে উপকার মিলে বলে জানালেন পুষ্টিবিদ স্বাগতা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ টাইমস নিউজ ৭১
Theme Customized By Times News 71