
আলী আহসান রবি:-
গুলশান ,বনানী ,মহাখালী ,প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সামনে, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকার রাস্তার দু’পাশে জমে থাকা বৃষ্টির পানি ও ড্রেন ব্যবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান |
আজ দুপুরে প্রথমে গুলশান ,পরে বনানী, মহাখালী, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া এলাকায় প্রবল বৃষ্টির কারণে জমে থাকা পানির সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন |
পরিদর্শনকালে প্রশাসক সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ কর্মরত পরিচ্ছন্ন কর্মীদের দ্রুত পানি সরে যাওয়ার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন |
গুলশান,বনানী ও মহাখালী রাস্তায় জমে থাকা পানির দ্রত অপসারণসহ ভবিষ্যতে যাতে পানি জমে না থাকে সেজন্য সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেন |
প্রশাসক প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সামনে ও জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় কখনো যেন পানি না জমে থাকে সেজন্য সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের সাথে পরামর্শ করার নির্দেশনা প্রদান করেন |
প্রশাসক শেওড়াপাড়া ও কাজিপাড়া এলাকার কয়েকটি রাস্তা ও কাজীপাড়া খালের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন |
এসব এলাকার রাস্তায় জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণের জন্য সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন |
এ সময় প্রশাসক কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়ার পথচারীদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন |
সরজমিনে পরিদর্শন কালে প্রশাসক নিজে পানির মধ্যে হেঁটে পানি সরে যাওয়ার নালা ও ড্রেন ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং আশেপাশের দোকানদারদের ময়লা আবর্জনা না ফেলার অনুরোধ জানান |
পরিদর্শনকালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা , প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও প্রশাসকের একান্ত সহকারীসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন |
[13/07, 12:24 pm] রবি ভাই pid কার্ড: বাস্তুহারা মানুষের ঘর নির্মাণ করতে চান প্রধানমন্ত্রী : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
আলী আহসান রবি
১২ জুলাই ২০২৬:
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, পাহাড়ের পাদদেশ যারা বসবাস করছেন, তাদের বোঝাতে হবে এবং তাদেরকে বুঝিয়ে বিকল্প জায়গায় আবাস করে দিতে পারলে সেটিই হবে স্থায়ী সমাধান। যারা বাস্তুহারা তাদেকে বিকল্প জমিতে ঘর তৈরি করে দিতে চান প্রধানমন্ত্রী, এই বিষয়ে সংসদেও আলোচনা হয়েছে।
আজ রবিবার রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলার দপ্তর প্রধানদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিংকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী সবাইকে ধৈর্য ধরে দুর্যোগ মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে। প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, সংবাদিক, সুশীল সমাজসহ সবাই মিলে যদি একযোগে সচেতনতা তৈরি করতে পারেন, তবেই ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় কোনো ঘাটতি থাকলে আমাদের জানান। দুর্গম এলাকায় সশস্ত্র বাহিনী এবং মাঠ পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন, যা আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। সবার সহযোগিতায় আমরা এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে চাই।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দুর্যোগ শেষে সকলেই বাসায় ফিরবে, কিন্তু বাসাবাড়ি আগের মতো থাকবে না। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। এটা জনগণের কাছে আমাদের ওয়াদা।
এ সময় রাঙ্গামাটি জেলার সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।