1. admin@timesnews71.com : অ্যাডমিন :
প্রাথমিক শিক্ষার মান ‍উন্নত করলে সামাজিক বৈষম্য নিরসন সহজ হবে-- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা | টাইমস নিউজ ৭১
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন

প্রাথমিক শিক্ষার মান ‍উন্নত করলে সামাজিক বৈষম্য নিরসন সহজ হবে– প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫

টাইমসনিউজ ডেস্ক:

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্য দূরীকরণ। আমরা যদি প্রাথমিক শিক্ষার মান ‍উন্নত করতে পারি, তাহলে সামাজিক বৈষম্য নিরসন সহজ হবে। আমরা যারা প্রাথমিক শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলে যদি সুন্দরভাবে দায়িত্ব পালন করি তাহলে আমরা এগিয়ে যেতে পারি, দেশকে এগিয়ে নিতে পারি।

আজ কক্সবাজার পিটিআইতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘প্রি-প্রাইমারি এন্ড প্রাইমারি এডুকেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট ইন কক্সবাজার এন্ড বান্দরবান ডিস্ট্রিকস এন্ড ভাসানচর অভ্‌ নোয়াখালী’ প্রকল্পের আওতায় ‘প্রজেক্ট একটিভিটিস এন্ড স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম’ সংক্রান্ত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন ।

উপদেষ্টা বলেন, এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো শিশুরা লম্বা সময় স্কুলে থাকবে, তারা দুপুরে কিছু খাবে, তাদের ক্ষুধা দূর হবে। এ প্রজেক্টে হেল্‌থ এর কম্পোনেন্ট রয়েছে। শিশুরা অপুষ্টিতে ভোগে সেটার কিছুটা রেমিডি হলো আমাদের স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম। প্রধান উপদেষ্টা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা এটাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁদের নিকট এটা শুধু স্কুল ফিডিং হিসেবে প্রতিপাদ্য হচ্ছে না। তাঁদের চোখে অর্থনীতির একটি ডাইমেনশন হিসেবে ধরা পড়ছে। আশা করি আমরা সেটা করব। ১৫০ উপজেলায় স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম চালু হবে।

উল্লেখ্য, প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের ৫৬৯টি এবং বান্দরবানের ৪৩৬টি মোট ১ হাজার ৯৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ ১১ হাজার শিক্ষার্থী সপ্তাহে পাঁচদিন পুষ্টিকর বিস্কুট, কলা, বান, ডিম, দুধ পাবে। কক্সবাজার এবং ভাষানচরে অবস্থানরত মিয়ানমারের শিশুরাও সুবিধা পাবে। ১ হাজার ৯৫টি সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ৬ হাজার ৯৯ জন শিক্ষক দক্ষতা বৃদ্ধির ট্রেনিং পাবে। প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের টাকা ২৮৭ কোটি এবং প্রকল্প সাহায্য ৬৬৩ কোটি টাকা।

উপদেষ্টা এর আগে কক্সবাজারে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মাণাধীন ‘লিডারশিপ ট্রেনিং সেন্টার’ পরিদর্শন করেন এবং কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত বিদ্যালয় বহির্ভূত কিশোর-কিশোরীদের জন্য দক্ষতা কেন্দ্রিক সাক্ষরতা ‘স্কিলফো’ প্রকল্পের (পাইলট) ব্যবহারিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

প্রকল্প পরিচালক হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টার সহধর্মিণী ডাক্তার রমা সাহা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মোঃ মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট সৈয়দ রাশেদ আল জায়েদ জোস।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ টাইমস নিউজ ৭১
Theme Customized By Times News 71