1. admin@timesnews71.com : অ্যাডমিন :
নাসা গ্রুপের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করা না হলে মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা --- শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা | টাইমস নিউজ ৭১
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রান্নার সময় মাংসের রং হলো সবুজ, কড়াই নিয়ে থানায় হাজির বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে উ. কোরিয়ার সঙ্গে একই অবস্থানে বাংলাদেশ প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফ্রান্সে জুনে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ হাজার ৭৬৪ জন বেশি মানুষের মৃত্যু নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আগস্টে তফসিল, অক্টোবরে প্রথম ধাপের ভোট অর্থনীতিতে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের গুরুত্ব বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে দিতে চাই: বিদ্যুৎমন্ত্রী জামায়াত থেকে বহিষ্কার এমপি গাজী নজরুল ইসলাম

নাসা গ্রুপের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করা না হলে মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা — শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

টাইমসনিউজ ডেস্ক:-

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নাসা গ্রুপের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করা না হলে মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের শ্রম ও ব্যবসায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৩তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত নাসা গ্রুপের প্রতিনিধিবৃন্দকে আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নাসা গ্রুপের মালিক নজরুল ইসলাম মজুমদারের কাছ থেকে সম্পত্তি বিক্রির জন্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়ে তাদের সম্পদ বিক্রির ব্যাবস্থা করে শ্রমিকের চলতি মাসের বেতন ভাতাদি পরিশোধের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। এ সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠান চালু রাখা অথবা বন্ধ করার সিদ্ধান্তও জানাতে হবে। অন্যথায় মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেসাথে নাসা গ্রুপের মালিক, মালিকের স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের পাসপোর্ট বাতিল করা হবে।

সভায় নাসা গ্রুপের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং নাসা গ্রুপের মালিক, মালিকের স্ত্রী ,ছেলে ও মেয়ের নামে নিম্নবর্ণিত সম্পদের খোজ পাওয়া যায়।

১। গুলশান-১ এর ১২ তলা বিশিষ্ট ২টি বিল্ডিং (ব্যাংক বিল্ডিং) রয়েছে।
২। ৩০০ ফিট এলাকায় ২ বিঘা জমি রয়েছে যা ল্যান্ডস্কেপিং করা।
৩। জলসিঁড়ির, সেক্টর-১৭’তে একটি কাঁচা মার্কেট রয়েছে।
81 মেয়ে আনিকার নামে একাধিক প্লট ও পরিবারের সকলের অনেক সম্পদ রয়েছে।
৫। মেঘনা ঘাটে একটি Wear House এবং পেট্রোল পাম্প আছে।
৬। ঠাকুরগাঁও এ ৩০০ বিঘা জমি রয়েছে।
۹۱ শান্তা মরিয়ম এর পাশে বাউন্ডারি করা আনুমানিক ১০ বিঘা জমি আছে।
৮। দুবাইতে খেজুর বাগান এবং দুবাই রিসোর্ট রয়েছে।
৯। চাঁদপুরে বিশাল একটি মার্কেট রয়েছে।
১০। নিকেতন এ ১০ বিঘা জমি কেনা আছে।
১১। হাতিরঝিলের প্রজেক্ট এ বড় ২টি খেজুরের ডিপো রয়েছে যাতে ১০/১২ কোটি টাকার খেজুর আছে।
১২। মহাখালী ডিওএইচএস এর মসজিদের পাশে ১০ কাঠা জমির উপর বাসা রয়েছে।
১৩। চব্বিশ (২৪) কোটি টাকা মূল্যের Provident Fund (Exim Bank) রয়েছে।
১৪। গুলশান-১ এ দখলকৃত বাসা আছে যেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
১৫। গুলশানে ৭১ নং প্লট এ ১ বিঘা জমি রয়েছে যা পারটেক্স গ্রুপ এর নিকট থেকে কিনেছে।
১৬। পূর্বাচলে ২০ টা প্লট রয়েছে যা চেয়ারম্যান ও তার পরিবারের নামে। দুদক ৪/৫ টা ক্রোক করেছে।
১৭। পূর্বাচলে ২.৫ বিঘার উপরে একটি হাসপাতাল আছে (নার্সিং ইন্সটিটিউট এবং হাসপাতাল)
১৮। জলসিড়ি সেক্টর-১৭ এ চেয়ারম্যান এর নামে ২.৫ বিঘা জমির উপর ১০০ কোটি টাকা মূল্যের একটি মার্কেট রয়েছে।
১৯। জলসিড়ি-২ নং সেক্টরে ৮টি প্লট রয়েছে (সাইজ ২০-২৮ কাঠা)। যার মধ্যে ০২টি কর্ণার প্লট রয়েছে।
২০। মসুল (জলসিঁড়ি) নীলা মার্কেটের সামনে পুলিশ হাউজিং এর বিপরীতে ৩০/৪০ বিঘা জমি রয়েছে।
২১। নেভির পাশে ৩০০ ফিট এ ৩০/৪০ বিঘা জমি রয়েছে। যার মধ্যে কিছু Mortgage আছে এবং ৩০ বিঘা ভরাট রয়েছে যেখানে চিড়িয়াখানা, মসজিদ এবং গেষ্ট হাউজ রয়েছে।
২২। বিজিএমইএ এর উত্তর পাশে দিয়া বাড়ীতে ৩টা প্লট মিলে একটা ৪.৫ বিঘা জমিতে সুইমিং পুল, মসজিদ এবং গেষ্ট হাউজ রয়েছে যার মূল্য ৪০০ কোটি টাকা
২৩। উত্তরা মাসকট প্লাজার পশ্চিমে ফার্নিচারের দোকান রয়েছে এবং উত্তরা সেক্টর-১৩ (সোনারগাঁ জনপদ) একটি প্লট রয়েছে।
২৪। তেজগাঁও ইন্ডাস্টিয়াল এরিয়া মহাখালী বাস স্ট্যান্ড এর পাশে ৩ বিঘা জমির উপর নাসা হেড অফিস রয়েছে।
২৫। তেজগাঁও আড়ং এর বিপরীতে ৭ বিঘা জমি রয়েছে।
২৬। আড়ং এর পাশে লাগোয়া গাজী গ্রুপ থেকে ক্রয় করা ৭ বিঘা জমি Mortgage দিতে পারে।
২৭। মেঘনা ঘাটে আরও ১০ বিঘার একটি জমি আছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, বাণিজ্য উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানগণ, বিজিএমইএ-এর সভাপতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামি ব্যাংকের প্রতিনিধিরা।
[16/09, 9:20 pm] রবি ভাই pid কার্ড: পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন আমাদের করতেই হবে— সুপ্রদীপ চাকমা

আলী আহসান রবি
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রি.

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন আমাদের করতেই হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের গুড গভর্নেন্স দরকার। নারীদের ক্ষমতায়ন ছাড়া উন্নয়ন অসম্পূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আজ রাজধানীর বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনের সেমিনার হলে “পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন ভাবনা” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা।

পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক জীবিকা, মানসম্মত শিক্ষা ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণসহ উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে গ্রুপভিত্তিক আলোচনা হয়। সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন সচিব মোঃ আব্দুল খালেক।

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা তাঁর বক্তব্যে বলেন, যার যার স্থান থেকে ক্ষমতায়ন বাস্তবায়ন করা দরকার। তিনি নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্টে মোট বরাদ্দের ৪০% ব্যয় করা হবে এবং প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহারের ওপর জোর দেন তিনি।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা জানান, পার্বত্য অঞ্চলের ২০০টি স্কুল আধুনিকায়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ রয়েছে। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আইবিএ ও বুয়েট-এর ক্যাম্পাস পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মোঃ মহব্বত উল্লাহ, যিনি পার্বত্য অঞ্চলের জন্য উপযোগী উন্নত ফসলের জাত, টেকসই ভূমি ব্যবহার, বৃষ্টির পানি সংগ্রহ, এবং সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অংশীজন মন্ত্রণালয়ের এ অভিনব উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ভাবনায় তাদের মতামত তুলে ধরেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টগণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকলকে অবহিত করেন।

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মং রাজা সাচিং, সুদত্ত চাকমা (উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান), এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগণ, তিন জেলার জেলা প্রশাসক, তিন পার্বত্য জেলার প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ টাইমস নিউজ ৭১
Theme Customized By Times News 71