1. admin@timesnews71.com : অ্যাডমিন :
উত্তাল দিল্লি, ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ | টাইমস নিউজ ৭১
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন

উত্তাল দিল্লি, ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

টাইমস নিউজ ডেস্ক:-

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ ঘিরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। রাজধানীতে নিরাপত্তাজনিত কারণে অন্তত ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, মান্ডি হাউস, আইটিও এবং খান মার্কেটসহ দিল্লি মেট্রোর ১৬টি স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। সিজেপির চলমান বিক্ষোভের জেরে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি)।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম মেট্রো স্টেশন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।

তবে রাজীব চক, মান্ডি হাউস এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েটে ইন্টারচেঞ্জ সুবিধা চালু রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভের ডাক দেয়। এতে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার মানুষ দিল্লিতে সমবেত হওয়ায় সোমবার বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সিজেপির বিক্ষোভে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে সরব রয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এ ঘটনায় মঙ্গলবার তিনি নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন। এরপর তিনি পাঁচ দফা দাবি জানান।

এনডিটিভি জানিয়েছে, বিরোধীদলীয় নেতা কেন্দ্রের কাছে পাঁচ দফা দাবি পেশ করেছেন। তিনি ছাত্রছাত্রীদের শোষণের জন্য সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন এবং নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিতর্কের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতাকে দিল্লি পুলিশ আটক করে। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

রাহুল গান্ধীকে ছত্রসাল স্টেডিয়ামে এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদরাকে মন্দির মার্গ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সাবেক কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী থানায় গিয়ে প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দেখা করেন। পরে রাত ৯টার দিকে দুই ভাইবোনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

আটক থাকাকালে রাহুল গান্ধী সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে একটি ভিডিও বিবৃতি প্রকাশ করেন। এতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানান।

এ ছাড়া সোমবার শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, বিক্ষোভ দমনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা প্রার্থনা, সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এবং যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষা ও পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবি জানান।

সূত্র: এনডিটিভি

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ টাইমস নিউজ ৭১
Theme Customized By Times News 71