1. admin@timesnews71.com : অ্যাডমিন :
থ্যালাসেমিয়া-জন্মগত বিরল রোগে ডেটাবেজ চান ডা. জুবাইদা | টাইমস নিউজ ৭১
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন

থ্যালাসেমিয়া-জন্মগত বিরল রোগে ডেটাবেজ চান ডা. জুবাইদা

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্র‌তি‌বেদক:-

দেশে থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের জন্য দেশব্যাপী ডেটাবেজ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘দেশজুড়ে থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য জন্মগত এবং বিরল রোগে আক্রান্ত মানুষদের একটি ডেটাবেজ প্রস্তুত করার পথে এগিয়ে যাওয়া এবং একটি রেজিস্টার মেইনটেইন করা প্রয়োজন। থ্যালাসেমিয়া যোদ্ধাদের শতভাগ সুস্থ করতে না পারলেও তাদের ও পরিবারকে সান্তনা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে আশ্বাসের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।’
ডা. জুবাইদা রহমান আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘রক্তদাতা সম্মাননা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি (বিটিএস) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মায়েদের স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করারও আহ্বান জানিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘অন্তঃসত্ত্বাকালীন সময়েও স্ক্রিনিং করে এটি শনাক্ত করা যায়। যেকোনো বয়সেই স্ক্রিনিং টেস্টের মাধ্যমে রোগটি ধরা পড়ে। দেশবাসীকে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি ও শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে চালানো যায়।’

তিনি বলেন, ‘এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সময় তাদেরকে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান দেওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ এর উপসর্গ, চিকিৎসা ও রোগীকে আশ্বস্ত করার পদ্ধতি সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়।’

থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত হওয়া রোগীদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভক্ত করার পরামর্শ দিয়ে জুবাইদা রহমান বলেন, ‘শনাক্তকরণের পর ধাপে ধাপে ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভক্ত করা যায়- থ্যালাসেমিয়া মেজর, থ্যালাসেমিয়া মাইনর এবং থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট। চিকিৎসকরা যতদূর সম্ভব সতর্কতা ও সংবেদনশীলতার সাথে চিকিৎসা দিলে রোগী ও তার পরিবার অনেকাংশে চিন্তামুক্ত ও আশ্বস্ত হবেন।’

স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বেচ্ছায় যারা রক্ত দান করেন তাদের এই অসামান্য মানবিক কাজের জন্য জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। আমি আজ বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাই আমার কন্যা জাইমা রহমানকে, যিনি একজন স্বেচ্ছায় রক্তদাতা। এযাবত তিনি সাতবার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন।’

এ সময় তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় ধরে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে রক্তদাতা ব্যাক্তি ও রক্তদান কার্যক্রম সংশি¬ষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ টাইমস নিউজ ৭১
Theme Customized By Times News 71